১৪ নভেম্বর ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট নভেম্বর ০৯, ২০১৮  
Login          

সবগুলো আইনই শক্তিশালী, প্রয়োগ অবশ্যই হবে: কবিতা খানম



নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান সবগুলো আইনই অত্যন্ত শক্তিশালী। আইন যেহেতু আছে, অবশ্যই আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রয়োগ হবে। কারণ আইনের প্রয়োগটাই আসল বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। 

সোমবার দুপুরে নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। 

‘আইনীভাবে নিজেদের শক্তিশালী মনে করেন কি না-এমন প্রশ্নে কবিতা খানম বলেন, ‘আমাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান যতগুলো আইন আছে সবগুলো আইনই অত্যন্ত শক্তিশালী। এজন্য আগামীতে আইনের প্রয়োগ করলে অবশ্যই শক্তিশালীভাবে প্রয়োগ করা হবে। অনেক শক্ত আইন করে তার প্রয়োগ না করলে আইন যতই শক্তিশালী হোক ফল পাওয়া যায় না। আইন যেহেতু আছে, প্রয়োগ অবশ্যই হবে।’

বর্তমান সরকারের অধিনেই যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে ক্ষমতাসীনরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করতে পারে-এই কথার জাবাবে কমিশনার বলেন, ‘আচরণ বিধিমালাতে একটি বিধি আছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কথা বলা আছে। যেখানে সরকারের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা’ নির্বাচনি প্রচার চালাতে পারবেন না। এটা বিদ্যমান আইনেই আছে। তফসিল ঘোষণার পরে আমরা বিষয়গুলো দেখব। বিধিবহির্ভূত কিছু করা হয়, সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অ্যাকশন নেয়ার সুযোগ তো আছেই।

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, তফসিলের তারিখ ঘোষণার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাকে মাথায় রেখেই কিন্তু তফসিলের তারিখ ঘোষণা করবেন। এ ধরনের আলোচনা এখনো কমিশনে হয়নি, কমিশন সভায় তারিখ নির্ধারণ করা হবে। সভার পরে ঘোষণা করা হবে। সেটা যেহেতু হয়নি, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলাপ করে এই কথা বলা হয়েছে বলে আমি মনে করি না।

ইভিএম বিষয়ে কবিতা খানম বলেন, ‘কমিশন যদি মনে করে অল্প পরিসরে সীমিতভাবে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে কতটুকু দক্ষ জনবল পাচ্ছি, এবং ভোটারদের সচেতন করতে পারছি তার উপর নিভর্র করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কতটুকু পর্যয়ে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। সিটি করপোরেশনের ফলাফলও খারাপ নয়। সেখানেও তেমন অভিযোগ উঠেনি। ইভিএম আইনি স্বীকৃতি পেলে ম্যানুয়েলে আইনের অপব্যবহারের ফলে যে শাস্তির বিধান ছিল, ইভিএমের ক্ষেত্রেও তা একই রাখা হয়েছে।